Text size A A A
Color C C C C
পাতা

কী সেবা কীভাবে পাবেন

 

ড্রাইভিং লাইসেন্স

শিক্ষানবীশ ড্রাইভিং লাইসেন্সঃ

 

স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স

Æ

নর্ধারিত আবেদন ফরমে আবেদন।

Æ

শিক্ষানবীশ লাইসেন্স উল্লিখিত তারিখ ও সময়ে পরীক্ষ কেন্দ্রে উপস্থিতি রেকর্ডভূক্তকরণ।

Æ

প্রযোজ্য ফি জমা রশিদ।

Æ

লিখিত পরীক্ষায় অংশ গ্রহণের পর কৃতকার্য হলে মৌখিক পরীক্ষা এবং মৌখিক পরিক্ষায় কৃতকার্য হলে ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ।

Æ

আবেদনকারীর ১ (এক) কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবিসহ মেডিক্যাল ফরমে রেজিষ্টার্ড ডাক্তার প্রদত্ত    মেডিক্যাল সার্টিফিকেট।

Æ

কৃতকার্য পরীক্ষার্থীকে ড্রাইভিং লাইসেন্সের ( স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স ) জন্য নিধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। আবেদননের সাথে দুই কপি স্ট্যাম্প আকারের রঙিন ছবি, শিক্ষানবীশ লাইসেন্স, পাসপোর্ট/ জন্ম নিবন্ধন সনদ/ নাগরিক সনদপত্র, প্রযোজ্য ফি জমা রশিদ ইত্যাদি দাখিল করতে হবে।

Æ

প্রার্থীর জন্ম নিবন্ধন/ এস এস সি/ স্কুল সার্টিফিকেট এর  সত্যায়িত অনুলিপি। আবেদনের তারিখে প্রার্থীর বয়স পেশাদার লাইসেন্স-এর ক্ষেত্রে কমপক্ষে ২০ এবং অপেশাদার লাইসেন্সের ক্ষেত্রে কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে।

Æ

পেশাদার লাইসেন্সের ক্ষেত্রে পুলিশ তদমত্ম প্রতিবেদন।

 

Æ

বিআরটিএ’র সংশ্লিষ্ট অফিস থেকে প্রাপ্তিস্বীকার রশিদ গ্রহণ।

Æ

প্রার্থীর সদ্য তোলা ৩ (তিন) কপি স্ট্যাম্প সাইজের ছবি।

Æ

স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর ক্ষেত্রে বিআরটিএ’র নির্ধারিত দিনে কম্পিউটারে ছবি তোলা, ফিঙ্গার প্রিন্ট দেওয়ার জন্য উপস্থিত থাকতে হবে।

Æ

আবেদনপত্র জমা ও ফি জমা রশিদের গ্রাহক কপি প্রদর্শন করে  প্রাপ্তিস্বীকার রশিদ গ্রহণ  ও নির্ধারিত তারিখে প্রাপ্তিস্বীকার রশিদ প্রদর্শন করে শিক্ষানবীশ লাইসেন্স গ্রহণ।

Æ

প্রাপ্তিস্বীকার রশিদে উল্লিখিত তারিখে বিআরটিএ অফিস থেকে  ড্রাইভিং লাইসেন্স গ্রহণ।

 

 

নতুন মোটরযান রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে

 

১। আবেদনপত্র (‘এইচ’ ফরম) মালিক ও আমদানিকারক কর্তৃক যথাযথভাবে পূরণ ও স্বাক্ষর।

২। যৌথ মালিকানার ক্ষেত্রে উভয় পক্ষের স্বাক্ষর এবং প্রতিষ্ঠান/কোম্পানীর ক্ষেত্রে স্বাক্ষর ও সীলমোহর।

৩। ইনভয়েস (কাস্টম্স কর্তৃপক্ষ কর্তৃক স্বাক্ষরিত)।

৪। বিল অব লেডিং (সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃক সত্যায়িত)।

৫। বিল অব এন্ট্রি/এসেসমেন্ট নোটিশ (Tariff description of goods-এ বডির ধরনের সাথে আবেদনপত্রে বডি

ধরনের কোন অসংগতি আছে কি-না এবং গাড়ীটি শূল্কমুক্ত, রিয়াতী হারে, Draw back পদ্ধতি ইত্যাদিতে আমদানি কিনা

তা লক্ষ্য রাখতে হবে এবং সে অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশন দিতে হবে)।

৬। ইমপোর্ট পারমিট/ এলসিএ (সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃক সত্যায়িত)।

৭। সেল্স সার্টিফিকেট / বিক্রয় প্রমান পত্র (আমদানিকারক/ বিক্রেতা কর্তৃক প্রদত্ত)।

৮। সেল ইন্টিমেশন(রেজিস্ট্রেশন কর্তৃপক্ষ বরাবরে) আমদানিকারক/ বিক্রেতা কর্তৃক স্বাক্ষরিত।

৯। গেইট পাশ (সিকেডি রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে)।

১০। ডেলিভারী চালান।

১১। প্যাকিং লিষ্ট (একই ইনভয়েসে একাধিক মোটরযান আমদানির ক্ষেত্রে) কাস্টম্স কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সত্যায়িত কপি।

১২। বিদেশী নাগরিকের নামে রেজিস্ট্রেশন/ মালিকানা বদলী হলে বাংলাদেশের ওয়ার্ক পারমিটের এবং ভিসার মেয়াদের কপি।

১৩। (ক) মূসক-১১, (খ) মূসক-১১ (ক)/ এটিভি (প্রযোয্য ক্ষেত্রে), (গ) ভ্যাট পরিশোধের চালান, (ঘ) ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন সনদ।

১৪। বডি ও আসন ব্যবস্থার স্পেসিফিকেশন প্রদর্শনকৃত ড্রয়িং (বাস, ট্রাক, হিউম্যান হলার, ডেলিভারী ভ্যান, অটোটেম্পু ইত্যাদি মোটরযানের ক্ষেত্রে)।

১৫। সিকেডি (CKD)মোটরযানের ক্ষেত্রে বিআরটিএ সদর কার্যালয়ের টাইপ অনুমোদন ও অনুমোদিত সংযোজনী তালিকা।

১৬। TIN সার্টিফিকেট (প্রযোয্য ক্ষেত্রে)।

১৭। বডি ভ্যাট (প্রযোয্যক্ষেত্রে)। 

১৮। মোটরযানটি সরেজমিনে পরিদর্শনের জন্য সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ অফিসে উপস্থিত করাতে হবে।

১৯। প্রয়োজনীয় ফি জমা করতে হবে।

২০। মালিকের নাম ঠিকানা যাচাইয়ের জন্য ব্যক্তি মালিকানাধীন আবেদনকারীর ক্ষেত্রে, পাসপোর্ট/টেলিফোন বেল/বিদ্যৎবিল/ গ্যাস বিল ইত্যাদির যে কোনটির সত্যায়িত ফটোকপি।

২১। রেজিস্ট্রেশনের জন্য দাখিলকৃত কাগজপত্র যিনি দাখি’ল করেছেন, তার নাম, ঠিকানা, টেলিফোন নম্বর ইত্যাদি দাখিলকারক হিসেবে আবেদন পত্রে উল্লেখ থাকা প্রয়োজন।

 

রি-কন্ডিশন মোটরযানের রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রেঃ

 

 

 

১। আবেদনপত্র (‘এইচ’ ফরম) যথাযথভাবে মালিক কর্তৃক পূরণ ও মালিকের স্বাক্ষর।

২। ফরম ‘টিও’ (ক্রেতা কর্তৃক স্বাক্ষরিত), ‘টিটিও’ ও বিক্রয় রশিদ (আমদানিকারকের স্বাক্ষরসহ)।

৩। ক) ডি-রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের মূল কপি (ট্যাক্স টোকেন, ফিটনেস ও রুট পারমিটসহ প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

খ) ডি-রেজিস্ট্রেশনের ইংরেজী অনুবাদের সত্যায়িত কপি (সার্টিফিকেট অব ক্যানসিলেশন এর সত্যায়িত কপি)।

৪। ইনভয়েস (কাস্টম্স কর্তৃপক্ষ কর্তৃক স্বাক্ষরিত)।

৫। বিল অব লেডিং  (সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃক সত্যায়িত)।

৬। বিল অব এন্ট্রি/ এসেসমেন্ট নোটিশ (Tariff description of goods-এ বডির ধরনের সাথে   আবেদনপত্রে বডির ধরনের কোন অসংগতি আছে কি-না এবং গাড়ীটি শূল্কমুক্ত, রিয়াতী হারে, Draw back পদ্ধতি ইত্যাদিতে আমদানি কিনা তা লক্ষ্য রাখতে হবে এবং সে অনুযায়ী রেজিস্ট্যেশন দিতে হবে)।

৭। ইমপোর্ট পারমিট/ এলসিএ (সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃক সত্যায়িত)।

৮। ডেলিভারী চালান।

৯। একই ইনভয়েসে একাধিক মোটরযান আমদানির ক্ষেত্রে কাষ্টম্স কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সত্যায়িত  প্যাকিং লিস্ট ও এ্যাসেসমেন্ট নোটিশের মূল কপি প্রদর্শন।

১০।  বিদেশী নাগরিকের নামে রেজিস্ট্রেশন/ মালিকানা বদলী হলে বাংলাদেশের ওয়ার্ক পারমিট এবং ভিসার মেয়াদের কপি।

১১। (ক) মূসক-১১, (খ) মূসক-১১ (ক)/ ATV (প্রযোয্য ক্ষেত্রে), (গ) ভ্যাট পরিশোধের চালান, (ঘ) ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন সনদ।

১২। TIN সার্টিফিকেট (প্রযোয্য ক্ষেত্রে)।

১৩। বডি ভ্যাট (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

১৪। মোটরযানটি সরেজমিনে পরিদর্শনের জন্য সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ অফিসে উপস্থিত করাতে হবে।

১৫। প্রয়োজনীয় ফি জমা করতে হবে।

১৬। মালিকের নাম ঠিকানা যাচাইয়ের জন্য ব্যক্তি মালিকানাধীন আবেদনকারীর ক্ষেত্রে, পাসপোর্ট/টেলিফোন  বেল/বিদ্যৎ বিল/  গ্যাস  বিল ইত্যাদির যে কোটির সত্যায়িত ফটোকপি।

১৭। রেজিস্ট্রেশনের জন্য দাখিলকৃত কাগজপত্র যিনি দাখি’ল করেছেন, তার নাম, ঠিকানা, টেলিফোন নম্বর  ইত্যাদি দাখিলকারক হিসেবে আবেদন পত্রে উল্লেখ থাকা প্রয়োজন।

১৮। রেজিস্ট্রেশন হওয়ার পর দাখিলকৃত কাগজপত্রের প্রতি পৃষ্ঠায় গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নম্বর উল্লেখ করা

 

 

কোন মোটরযানের আমদানি/ ক্রয় সংক্রামত্ম কাগজপত্র হারানো গেলে রেজিস্ট্রেশনের জন্য নিম্নবর্ণিত পদ্ধতিঅনুসরন করতে হবেঃ

 

১। মোটরযানের ক্রয়সূত্রে মালিক হারানো তালিকাসহ থানায় ডায়েরী করবে।

২। মোটরযানের মূল মালিক ক্রয়/ আমদানি সংক্রামত্ম কাগজপত্র হারানো সংক্রামত্ম বিষয়ে জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রদান করবে।

৩। আমদানিকারক/ বিক্রেতা সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ অফিসে স্ব- শরীরে উপস্থিত হয়ে একটি অঙ্গিকারণামা দাখিল করবে। যাতে সিবিউ মোটরযানের ক্ষেত্রে আমদানি সংয়ক্রামত্ম কাগজ পত্রের ক্রমিক নং, আমদানির তারিখ, মূল বিল অব এন্ট্রি নং, এলসিএ নং ইত্যাদি এবং সিকেডি মোটরযানের ক্ষেত্রে উপরোক্ত বিবরণ ছাড়াও বিআটিএ সদর কার্যালয়ের টাইপ অনুমোদন ও সংযোজিত তালিকার অনুমোদিত কপি, মোটরযানের বিবরণ, মোটরযানটি অন্য কোথাও রেজিস্ট্রেশন করা হয়নি/ রেজিস্ট্রেশনের জন্য আবেদন করা হয়নি ইত্যাদি উল্লেখ থাকবে।

৪। রেজিস্ট্রেশনের জন্যআবেদনকৃত মালিক মোটরযানটির বিক্রেতার অনুরূপ একটি হলফনামা প্রদান করবে। যে হলফনামায় হারানো কাগজ পত্রের বিবরণ, ক্রমিক নং, ক্রয়ের তারিখ, ইনভয়েস নং, বিল অব এন্ট্রি নং, গেইট পাশ নং ইত্যাদি) মোটরযানের বিবরণ, মোটরযানটি অন্য কোথাও রেজিস্ট্রেশণ করা হয়নি/ রেজিস্ট্রেশনের জন্য আবেদন করা হয়নি, ইত্যাদি উল্লেখ থাকবে।

৫। আমদানি ও ক্রয় সংক্রামত্ম কাগজপত্রের সার্টিফাইড (হুবহু নকল ) কপি উত্তোলন করতে হবে সংশ্লিষ্ট ইস্যু/ প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ থেকে।

৬। উপরোক্ত বর্ননার কাগজপত্রসহ মালিক তার নিজ/ বসবাসকৃত এলাকার রেজিস্ট্রেশন কর্তৃপক্ষ বরাবরে মোটরযানটি রেজিস্ট্রেশনের জন্য আবেদন দাখিল করবে এবং পরিদর্শনের জন্য মোটরযানটি হাজির করবে।

৭। রেজিস্ট্রেশনের জন্য আবেদন পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট মোটরযান পরিদর্শক কর্তৃক মোটরযানটি সরেজমিনে পরিদর্শন করার পর উহা যান্ত্রিকভাবে ত্রুটিমুক্ত হলে এবং দাখিলকৃতকাগজপত্রের সাথে সরেজমিনে পরিদর্শনকৃত মোটরযানটির বর্ণনার মিল থাকলে সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রেশন কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ রেজিস্ট্রেশন প্রদানের অনুমোদনের জন্য বিআরটিএ সদর কার্যালয়ের টেকনিক্যাল কমিটির নিকট প্রেরণ করবে।

৮। বিআরটিএ সদর কার্যালয় বাংলাদেশের বিভিন্ন রেজিস্ট্রেশন কর্তৃপক্ষ থেকে উক্ত মোটরযানটির রেজিস্ট্রেশন হয়েছে কিনা যাচাই করবে অথবা সদর কার্যালয়ে রক্ষিত কেন্দ্রীয় সার্ভার থেকে উক্ত চেসিসের বিপরীতে রেজিস্ট্রেশন সংক্রামত্ম তথ্য যাচাই করবে।

৯। বিআরটিএ সদর কার্যালয় থেকে প্রয়োজনীয় অনুমোদন পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রেশন কর্তৃপক্ষ রেজিস্ট্রেশনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

১০। অতঃপর রেজিস্ট্রেশন কর্তৃপক্ষ নতুন মোটরযান রেজিস্ট্রেশন প্রদান পদ্ধতি অথবা রি-  কন্ডিশন মোটরযান রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি যা প্রযোজ্য তা অনুসরণ করবে।

 

নিলামকৃত মোটরযানের ক্ষেত্রেঃ

 

সাধারণ নিলাম (সরকারী, আধা সরকারী, স্বায়ত্ব শাসিত ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান)

 

১। আবেদনপত্র (‘এইচ’ ফরম) মালিক কর্তৃক যথাযথভাবে পূরণ ও মালিকের স্বাক্ষর।

২। নিলাম বিজ্ঞিপ্তি / পেপার কাটিং।

৩। নিলাম বিক্রেতাকে বিক্রয়ের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য রেজিস্ট্রেশন কর্তৃপক্ষ থেকে পত্র যোগাযোগ করা প্রয়োজন।

৪। নিলাম টাকা পরিশোধের ব্যাংক চালানের সত্যায়িত ফটোকপি/ মূল কপি।

৫। মানি রিসিপ্টের মূল কপি।

৬। ডেলিভারী চালান।

৭। গেইট পাশ (পযোজ্য ক্ষেত্রে)

৮।TIN সার্টিফিকেট (প্রযোয্য ক্ষেত্রে)।

৯। নিলাম সংস্থা কর্তৃক সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রেশন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) বরাবরে অবগতিকরণ পত্র।

১০। মোটযানটির সরেজমিনে পরিদর্শনের জন্য সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ অফিসে উপস্থিত করাতে হবে।

১১। প্রয়োজনীয় ফি জমা করতে হবে।

১২। মালিকের উপস্থিতিসহ ক্রয় সংক্রামত্ম হলফনামা (ছবিসহ)

১৩। রেজিস্ট্রেশন, ট্যাক্স, ফিটনেস (ইতোপূর্বে যদি রেজিস্ট্রেশন হয়ে থাকে) সংক্রামত্ম তথ্য।

 

 

:সশস্ত্র বাহিনী কর্তৃক নিলাম:

 

। আবেদনপত্র (‘এইচ’ ফরম) মালিক কর্তৃক যথাযথভাবে পূরণ ও মালিকের স্বাক্ষর।

২। নিলাম বিজ্ঞপ্তি/ পেপার কাটিং।

৩। লগ বুকে বর্ণিত গাড়ীর প্রস্ত্ততকাল ও পস্ত্ততকারকের বিবরণ সত্যায়িত/ মূল কপি।

৪। নিলাম গ্রহণকারীর পক্ষে ডেলিভারী চালান।

৫। মূল নিলাম কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র/ প্রদান পত্র (গ্রহণকারীর স্বাক্ষর সম্বলিত)।

৬। গেইট পাস।

৭। টিন সার্টিফিকেট (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

৮। বিআরটিএ সদর কার্যালয়ের স্থায়ী টেকনিক্যাল কমিটি কর্তৃক গাড়িটি পরিদর্শন করা ও উপযুক্ত বিবেচিত হলে বিআরটিএ সদর কার্যালয়ের অনুমোদন।

৯। মোটরযানটি সরেজমিনে পরিদর্শনের জন্য সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ অফিসে উপস্থিত করাতে হবে।

১০। প্রয়োজনীয় ফি জমা করতে হবে।

১১। মালিকের উপস্থিতি সহ ক্রয় সংক্রামত্ম হলফনামা (ছবিসহ) ।

১২। মালিকের নাম ঠিকানা যাচাইয়ের জন্য ব্যক্তি মালিকানাধীন আবেদনকারীর ক্ষেত্রে, পাসপোর্ট/ টেলিফোন বিল/বিদ্যু বিল/  গ্যাস বিল ইত্যাদির যে কোনটির সত্যায়িত ফটোকপি।

১৩। রেজিস্ট্রেশনের জন্য দাখিলকৃত কাগজপত্র যিনি দাখিল করেছেন, তার নাম, ঠিকানা, টেলিফোন, নম্বর ইত্যাদি  দাখিলকারক হিসেবে আবেদন পত্রে উল্লেখ থাকা প্রয়োজন।

     ১৪। রেজিস্ট্রেশন হওয়ার পর দাখিলকৃত কাগজপত্রের প্রতি পৃষ্ঠায় গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নম্বও উল্লেখ করে ‘‘USED FOR REGISTRATION” সীল ব্যবহার করা।

 

 

:মোটরযান নথিভুক্তির ক্ষেত্রে পদ্ধতিঃ

 

১। মালিক উপস্থিতহয়ে বিআরটিএ’তে আবেদন করবেন।

২। নথিভুক্তির জন্য ফি সহ মালিকের আবেদন যদি মালিক ক্রেতা হন সেক্ষেত্রে ক্রয়সূত্রে মালিক হিসেবে টি টি ও

     ফরমের ফটোকপি আবেদন পত্রের সাথে সংযুক্ত করতে হবে।

৩। হালনাগাদ ট্যাক্স, ফিটনেস, রূট-পারমিট (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) এর ফটোকপি।

৪। গাড়ী সরেজমিন পরিদর্শন ও প্রয়োজনীয় ফিস জমা।

৫। সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রেশন কর্তৃপক্ষ বরাবরে রেজিস্ট্রেশন, ট্যাক্স-টোকেন, ফিটনেস, রূট-পারমিট (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)-এর

    ফটোকপিসহ ছাড়পত্র প্রদানের জন্য পত্র প্রেরণ (পরিদর্শনকৃত গাড়ীর সাথে মূল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের

    বর্ণনার মিল থাকলে)।

৬। প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র পাওয়া গেলে, মূল ছাড়পত্রের কপি, রেজিস্ট্রেশন সনদের উভয় কপি (মূলকপি)। ট্যাক্স -  

     টোকেন ও ফিটনেস ছাড়পত্রের কপি গ্রহণ সাপেক্ষে নথিভূক্ত করণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।

 

 

  :মোটরযানের ছাড়পত্র প্রদানের পদ্ধতি:

 

১। সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রেশণ কর্তৃপক্ষ থেকে পত্র পাওয়ার পর ট্যাক্স টোকেন হালনাগাদ আছে কিনা তা যাচাই করা।

২। ফিটনেস সনদপত্র ১ (এক) বছরের অধিক মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে গাড়ী পরিদর্শনপূর্বক ফিটনেস সনদের ব্যবস্থা গ্রহণ।

৩। রুট-পারমিট (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) হালনাগাদ থাকা।

৪। রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেসের ছাড়পত্র, রুট-পারমিট-এর সর্ম্পণ কপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) এবং ট্যাক্স টোকেনের

     ছাড়পত্র প্রদানের সুপারিশ।

 

 

: মোটরযানের ইঞ্জিন পরিবর্তনের পদ্ধতি :

 

১। একই প্রস্ত্ততকারকের ইঞ্জিন হতে হবে।

২। পরিবর্তীত ইঞ্জিনক্যাপাসিটি পূর্বের ইঞ্জিন ক্যাপাসিটির (সিসি) প্রায় সমমানের হতে হবে।

৩। ইঞ্জিন আমদানি সংক্রামত্ম সকল কাগজপত্রের সত্যায়িত কপি।

৪। ইঞ্জিন ক্রয় সংক্রামত্ম কাগজপত্র।

৫। গাড়ী পরিদর্শন ও প্রয়োজনীয় ফিস জমা।

    ৬। মালিকের উপস্থিতিসহ ইঞ্জিন পরিবর্তন সংক্রামত্ম বিষয়ে হলফনামা (ছবিসহ)।

 

 

সাহয্য সংস্থা ও সাহয্য সংস্থায় কর্মরত সুবিধাভোগী ব্যক্তির নিকট হতে ক্রয়কৃত মোটরযানের ক্ষেত্রে।

 

১। আবেদনপত্র (‘এইচ’ ফরম) মালিক কর্তৃক যথাযথভাবে পূরণ এবং স্বাক্ষর।

২। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডেরবিক্রয় অনুমতি পত্র।        

৩। কাস্টম্স ডিউটিপরিশোধ সংক্রামত্ম বিল অব এন্ট্রি/ এ্যাসেসমেন্ট নোটিশ (assessment notice)

৪। ডিউটি পরিশোধ করা হয়েছে মর্মে বিআরটিএ’র অনুকুলে কাস্টম্স কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রত্যয়ন পত্র।

৫। ডিউটি পরিশোধ সংক্রামত্ম ট্রেজারী চালান/ পে-অর্ডারের কাস্টম্স কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সত্যায়িত(ফটোকপি)।

৬। বিআরটিএ সদর কার্যালয়ের স্থানীয় রেজিস্ট্রেশন এর অনুমোদন পত্র (ডি-রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট)।

৭। পেপার কাটিং/ নিলাম বিজ্ঞপ্তি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

৮। বিআরটিএ সদরকার্যালয় হতে সত্যায়িত রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট ( ফিটনেস সনদের পৃষ্ঠাসহ)।

৯। সরবরাহ ও পরিদর্শন অধিদপ্তরের ছাড়পত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

১০। টিন সার্টিফিকেট (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

বিদেশী দূতাবাস বা হাইকমিশনের নামে রেজিস্ট্রেশনকৃত অথবা দূতাবাস বা হাইকমিশনে কর্মরত কুটনীতিকের নিকট হতে ক্রয়কৃত মোটরযানের ক্ষেত্রে (দূত, জাস, অ,দ.-----ইত্যাদি সিরিজ)

 

১। আবেদনপত্র (‘এইচ’ ফরম) মালিক কর্তৃক যথাযথভাবে পূরণ এবং স্বাক্ষর।

২। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক ইস্যুকৃত বিক্রয় অনুমতি পত্র।

৩। কাষ্টম্স ডিউটি পরিশোধ সংক্রামত্ম বিল অব এন্ট্রি/ এ্যাসেসমেন্ট নোটিশ।

৪। উিউটি পরিশোধ করা হয়েছে এই মর্মে বিআরটিএ‘রঅনুকুলে কাষ্টম্স কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রত্যয়নপত্র।

৫। ডিউটি পরিশোধ সংক্রামত্ম ট্রেজারী চালান/ পে-অর্ডারের কাস্টম্স কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সত্যায়িত

ফটোকপি।

৬। পররাষ্ট মন্ত্রণালয় কর্তৃক ইস্যুকৃত ডি-রেজিস্ট্রেশন সাটিফিকেট।

৭। পেপার কাটিং / নিলাম বিজ্ঞপ্তি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

৮। পররাষ্ট মন্ত্রণালয় কর্তৃক সত্যায়িত রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট (ফিটনেস সনদের পৃষ্টাসহ)।

৯। সরবরাহ ও পরিদর্শন অধিদপ্তরের ছাড়পত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে।।

১০। টিন সার্টিফিকেট (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।